নতুন শিক্ষাক্রমে উপজেলা পর্যায়ে এখনো প্রশিক্ষণই শুরু হয়নি। মাস্টার ট্রেইনারদের কিছু প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
নতুন শিক্ষাক্রম
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষক প্রশিক্ষণের যেসব ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে, তা নতুন শিক্ষাক্রমের অংশ নয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন শিক্ষাক্রম সংস্কার বা বাতিলের দাবিতে যারা আন্দোলন করছে, তাদের বেশির ভাগই কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত। তারা যে দাবিগুলো করছেন, তা একেবারেই যৌক্তিক নয়।
চলতি শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রম সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষকদের দক্ষ ও অভিজ্ঞ করে তুলতে মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল ও শীতকালীন ছুটি বাড়ানোর ফলে বিদ্যমান কর্মদিবসের সঙ্গে নতুন শিক্ষাক্রমের কার্যক্রম কীভাবে সমন্বয় করা হবে, এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন শিক্ষাক্রমে, পাঠ্যপুস্তকে কোন বিষয় বা ছবি নিয়ে কারও আপত্তি বা অস্বস্তি থাকলে তা যদি যৌক্তিক হয় তবে প্রয়োজনে তা সংশোধন, পরিমার্জন বা পরিশীলন করা হবে।
নতুন শিক্ষাক্রম দক্ষ, মানবিক মানুষ হতে শেখাবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি আরও বলেন, এবার যে বই গেছে সেখানে বলা আছে পরীক্ষামূলক সংস্করণ। আমরা বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষকদের সাথে বসেছি। এরপরও অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে। এছাড়াও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে মিথ্যা রটানো হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন শিক্ষাক্রমের সুফল পেতে ১০ বছর সময় লাগতে পারে।
২০২৩ সাল থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত নতুন শিক্ষাক্রম চালু করতে যাচ্ছে সরকার। নতুন এই শিক্ষাক্রম অনুযায়ী, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল মিলে হবে এইচএসসির ফল।